কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫ এ ০৮:০২ PM
কন্টেন্ট: পাতা
KPI বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও প্রাচীন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। এটি ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, পাকিস্তানের প্রথম পাঁচ-বছরের পরিকল্পনার (১৯৫৫–৬০) অংশ হিসেবে একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কাজ শুরু হওয়ার পর তা আকার লাভ করে ।
১৯৬৩ সালে শুধু শিক্ষানবিশ সম্প্রদায়ই নয়, ভবন, ওয়ার্কশপ, ছাত্রাবাস এবং স্টাফ কলোনি—সব কিছু নির্মাণের কাজ তৎকালীন বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) সরকারের পরিকল্পনাধীনভাবে সম্পন্ন হয়।
ইনস্টিটিউটটি খুলনা শহরের খালিশপুর শিল্প এলাকায়, পুরনো যশোর রোডের পাশে অবস্থিত ।
ক্যাম্পাসের আয়তন প্রায় ২১.৪ একর (৮.৭ হেক্টর) ।
অন্য একটি সূত্রে বলা হয়েছে, ক্যাম্পাসটি প্রায় ৩৩.৫ একরে বিস্তৃত এবং এটি এমনভাবে সাজানো যে সৌন্দর্য ও ব্যবহারিকতা একসাথে মিলেমিশে আছে, যেমন: সুসংরক্ষিত রাস্তা, গাছপালা, উঠোন, অডিটোরিয়াম, একটি পুকুর, মসজিদ, ডাক ভবন ও মেডিকেল সেন্টার রয়েছে ।
ডিজিটাল হিসেবে প্রতি বছর প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা প্রোগ্রামে ভর্তি হয় ।
মোট ছাত্রসংখ্যা প্রায় ৪,০০০ জন (২০১৯ সালের হিসেবে) ।
মোট শিক্ষক সংখ্যা প্রায় ১০০ জন এবং ভর্তি শিক্ষার্থীর বার্ষিক সংখ্যা ও বিভাগ সংখ্যা পর্যাপ্ত আছে ।
বর্তমানে বিদ্যমান বিভাগসমূহ:
সিভিল টেকনোলজি
ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি
ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি
মেকানিক্যাল টেকনোলজি
পাওয়ার টেকনোলজি
কম্পিউটার সায়েন্স ও টেকনোলজি(CSE)
এনভায়রনমেন্ট টেকনোলজি(ENVT)
ইন্সট্রুমেন্টেশন ও প্রসেস কন্ট্রোল টেকনোলজি(IPCE)
রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং (RAC)
(উল্লেখ্য: বিভিন্ন বিভাগে "৫০+৫০" কিংবা "১০০+১০০" মত আসন বিন্যাস দেওয়া হয়েছে—সম্ভবত প্রতি সেমিস্টারে বা বছরে শিফট অনুযায়ী)।
২০০৮ সাল থেকে ইনস্টিটিউটের ছাত্রাবাস বন্ধ রয়েছে ।
ক্যাম্পাস সেবামূলক স্থাপনা হিসেবে রয়েছে মসজিদ, মেডিকেল সেন্টার, ডাক বিভাগ, অডিটোরিয়াম এবং খেলার মাঠ—যা শিক্ষাকে সামাজিক ও সার্বিক উন্নয়নের সঙ্গে মেলায় ।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠা | ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দ, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিপ্রেক্ষিতে |
| অবস্থান | খালিশপুর, খুলনা শহর (পুরনো যশোর রোড সংলগ্ন) |
| ক্যাম্পাস আয়তন | প্রায় ২১–৩৩ একর |
| বিদ্যালয়ের ধরণ | সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট |
| ছাত্র-শিক্ষক সংখ্যা | ≈৪,০০০ ছাত্র ও ≈১০০ শিক্ষক |
| শিক্ষা বিভাগসমূহ | ৯টি প্রযুক্তিগত বিভাগ |
| ছাত্রাবাস | ২০০৮ সাল থেকে বন্ধ অবস্থায় |
| সহায়ক সুবিধা | মসজিদ, মেডিকেল সেন্টার, ডাক, অডিটোরিয়াম, পুকুর, মাঠ ইত্যাদি |
KPI-এর এই ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক মার্জিত দিকগুলো বিশ্লেষণে তুলে ধরে, এটি বাংলাদেশের দক্ষ প্রযুক্তিবিদ গড়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।